গ্রেপ্তারের পরদিন মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সাবেক সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে গোয়েন্দা পুলিশের একটি মাইক্রোবাসে করে ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আসা হয়। এ সময় তার ছোট ভাই, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকীকেও সেখানে দেখা যায়।
লতিফ সিদ্দিকীকে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-২ এ হাজির করে শাপলা চত্বরের ‘হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের’ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর কথা রয়েছে।
এ মামলার আসামির তালিকায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীর নাম রয়েছে ১০ নম্বরে। বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করার কথা জানায় গোয়েন্দা পুলিশ।
তার আগে বুধবার সকালে শাহবাগ থানার এক মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে লতিফ সিদ্দিকী সাংবাদিকদের বলেন, শাপলা চত্বর মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার না করলে নিজেই ‘আত্মসমর্পণ’ করবেন।
“আমি জানি, আজকে যদি আমি না আসি (আদালত) তাহলে মনে করা হবে আমি বোধহয় আত্মগোপনে চলে গেছি। আমি সাধারণত আত্মগোপন করি না। আমি সব সময় আত্মপ্রকাশ করতে চাই।
“সেজন্য আজকে এসেছি। এখন পুলিশ যদি আমাকে গ্রেপ্তার না করে তাহলে আগামী রোববার বা সোমবার আদালতে গিয়ে নিজেকে সমর্পণ করব।”
শাপলা চত্বরের ঘটনার বিষয়ে নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, “আমি তখন মন্ত্রী ছিলাম। কিন্তু শাপলা চত্বরের ঘটনা বা সে সময়কার কোনো বিষয়ে আমি কিছু জানি না।”
