নরসিংদীর শিল্পাঞ্চলে তীব্র গ্যাস সংকটে শতাধিক কারখানা টানা তিন দিন ধরে বন্ধ। কিছু কারখানা উৎপাদন সচল রাখতে গ্যাসের বিকল্প হিসেবে কাঠ পুড়িয়ে বয়লার চালাচ্ছে—প্রতিদিন খরচ হচ্ছে ১০ হাজার টাকার বেশি।
গ্যাসের অভাবে কোথাও উৎপাদন কমেছে ৭০%, কোথাও কারখানা চলছে মাত্র ১০% সক্ষমতায়। মোমিন টেক্সটাইলের ১০টি ইউনিটের ৭টিই বন্ধ; দৈনিক ২৫ লাখ গজ উৎপাদনের সক্ষমতা নেমে এসেছে মাত্র ২০ হাজার গজে। আড়াই হাজার শ্রমিকের মধ্যে প্রায় ১,৫০০ জন কর্মহীন।
ব্যবসায়ীদের হিসাবে, নরসিংদীতে এই সংকটে প্রতিদিন প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে। শ্রমিকদের ছুটিতে পাঠানো, উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং বিদেশি ক্রেতাদের অর্ডার পূরণে অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলটি বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে।
আওয়ামী লীগের আমলেও বিশ্বের নানাপ্রান্তে যুদ্ধ বিগ্রহ চলেছে যার দরুন জ্বালানি আমদানি ব্যাহত হতো। কিন্তু দেশের মানুষ, দেশের অর্থনীতি এই সংকটের চাপে পিষ্ট হতো না। আওয়ামী লীগের রেখে যাওয়া মজুত, আমদানি ক্রয়াদেশ থাকার কারণে ইউনুসের মত অথর্ব লোকও কোন আমদানি ছাড়াই জ্বালানি সংকটে পড়েনি। অথচ যে ব্যক্তি দাবি করে সে দেশের দুই তৃতীয়াংশ মানুষের ভোট পেয়েছে সেই ব্যক্তি ছয় মাসের মধ্যে দেশে তেল সংকট, গ্যাস সংকট, হামের মহামারীর মত বিলুপ্তপ্রায় সংকট গুলো ফিরিয়ে এনে দেশকে ভাগাড়ে পরিণত করেছে।
