আলফ্রেড নোবেল
বাংলাদেশের আগামী প্রজন্মের হারকিউলিস হচ্ছে ১৩-১৪ বছরের কিশোর নির্ঝর।তার দেখানো দুই আঙ্গুলের ” ভি ‘ চিহ্ন হচ্ছে আগামী দিনের বাংলাদেশ। হাতের তর্জনী ও মধ্যমা আঙ্গুলের এই প্রেম থেকে জন্ম নিবে আগামীদিনের ” মুক্তিযুদ্ধের অসমাপ্ত বাংলাদেশ ” এর ইতিহাস। ৫ ই আগষ্ট রাজাকার জয়োধ্বনির মাধ্যমে যে বাংলাদেশের মৃত্যু হয়েছিল তাই আলো হয়ে জ্বলে উঠলো নির্ঝরের বিজয় অথবা শান্তি চিহ্নে। মুক্তিযুদ্ধের এই অসমাপ্ত ইতিহাস সমাপ্ত করার জন্য শেখ হাসিনা এখনও বেঁচে আছেন। আমরা এখনও বেঁচে আছি। পাকিস্তানীদের কাছে আমাদের পিতারা হারেনি। জামায়াত শিবিরের জঙ্গীদের কাছেও বাংলাদেশ হারবে না। লকডাউন সফল হয়েছে। বিজয়ের এই ইতিহাস লিখে দিয়েছে একজন কিশোর।। দীর্ঘজীবী হও।
রাজনীতির পাকা জহুরি সোহরাওয়ার্দী কিশোর শেখ মুজিবের মধ্যে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নেতার ছবি দেখতে পেয়েছিলেন।১৯৩৮ সালে অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী যখন গোপালগঞ্জ গিয়েছিলেন তখন শেখ মুজিব মিশন স্কুলের ছাত্র। সেদিন সোহরাওয়ার্দী বঙ্গবন্ধুকে নাম কি, বাড়ি কোথায় দিয়ে শুরু করে চিঠি লিখতে শুরু করেছিলেন।১৯৩৮ সালে শেখ মুজিব ও সোহরাওয়ার্দীর এই রসায়ন তৈরি না হলে ১৯৪৮ হতো না।১৯৪৮ না হলে একজন শেখ মুজিব তৈরি হতেন না। একজন শেখ মুজিব তৈরি না হলে কখনোই ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হতো না।
১৯৫৪ সালে শেখ হাসিনা যখন একজন কিশোরী তখন তার বাবা শেখ মুজিব বাংলাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী মন্ত্রী। শেখ হাসিনা যখন আজিমপুর গার্লস হাইস্কুলে পড়েছেন তখনি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ও সংগ্রামে জড়িয়ে পড়েন।১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু যখন বাংলাদেশের মুক্তির ছয় দফা ঘোষণা করেছেন , সেই সালে শেখ হাসিনা ইডেন কলেজের ভিপি নির্বাচিত হন। দীর্ঘ ছয় দশকের বেশি সময় আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা তৈরি হয়েছেন। বাংলাদেশের জন্মের পর থেকে গত ৫৪ বছরে সবচেয়ে বেশি সংকটের মোকাবেলা শেখ হাসিনাই করেছেন।
শেখ হাসিনা শূন্য থেকে বাংলাদেশকে এক সম্পূর্ণ বাংলাদেশে পরিণত করেছেন। এজন্য ডেইলি সান এর মতো পত্রিকাও বলতে বাধ্য হয়েছে , ” Sheikh Hasina – the best Crisis manager”.
সমগ্র বাংলাদেশ আজ শেখ হাসিনা বিহীন এক অস্তিত্বের সংকটে ভুগছে। শেখ মুজিবুর রহমানের পর শেখ হাসিনা সারাবিশ্বের কাছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আইডেনটিটি কার্ড ( পরিচয় পত্র) ছিলেন। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর বাংলাদেশ অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। পিতার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ইট সংগ্রহ করে ব্যাগের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের বই নিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া কিশোরের ভি চিহ্ন হচ্ছে আগামীদিনে বাংলাদেশের মুক্তি। আজকের তরুণ ও কিশোররাই আগামীদিনে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের কবর রচিত করবে। অভিশপ্ত জেনজিদের সমাধি রচনা করবে আমাদের আগামীর আলফা জেনারেশন।১৬ – ৩০ বছরের কিশোর ও তরুণরাই লিখবে আগামীর বাংলাদেশের ইতিহাস। রাজাকারের কবর এই বাংলার মাটিতেই নিশ্চিত করা হবে। পাকিস্তানীদের পরাজিত করেছি, রাজাকারদেরও পরাজিত করবোই।
জয় বাংলা।সত্য সবসময় সুন্দর ১৩-১১-২০২৫
