দেশজুড়ে কৃষকের কান্না—আর ইউনুসের সরকারের লুটের মহোৎসব। এবার রাস্তায় নামবে জনগণ। ১৬–১৭ নভেম্বর সর্বাত্মক শাটডাউন— কৃষকের ন্যায্য দামের জন্য, দেশের ভবিষ্যৎ বাঁচানোর জন্য, অবৈধ ইউনুসকে বিদায় করার জন্য!
১৬-১৭ মাস আগেও বাংলাদেশ ছিল উন্নয়নের রোল মডেল, ২০৩৫ সালের বিশ্বের শীর্ষ ৪০ অর্থনীতির দেশে পরিণত হওয়ার কথা ছিল, বেড়েই চলছিল বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ, অসচ্ছ্বল-বিধবা-কর্মহীন দরিদ্র মানুষেরা সরকারী ভাতা পেতো, গৃহহীনরা ঘর পেয়েছিল, নারীরা নিরাপদ ছিল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার উপস্থিতি ছিল, স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে গিয়েছিল প্রান্তিক মানুষের দুয়ারে, ডিজিটাল সুবিধা ছিল সবার হাতের নাগালে। তরুণদের সামনে ছিল অবারিত সম্ভাবনার দুয়ার, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য নানা সুযোগ সুবিধা ছিল, পাহাড়ে-সমতলে শান্তি ছিল, জঙ্গিবাদ নির্মুল হয়েছিল। সম্প্রীতি ছিল, সৌহার্দ্য ছিল, সম্মান ছিল, শ্রদ্ধা ছিল। আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের সম্মান ছিল, ভালো কিছুর উদাহরনে বাংলাদেশেরও অবস্থান ছিল। রুপকথার ইউটোপিয়ান রাজ্যের লোভ দেখিয়ে সেই সাজানো গোছানো দেশকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে গান গেয়ে-মাথায় হাত বুলিয়ে- লাল রঙ ধরে এসেছিল সেই পুরোনো শকুনেরা। কিন্তু সাধারণ মানুষ বুঝতে পারেনি তারা কাদের সাথে রাস্তায় নেমেছিল। কিন্তু গত ১৫ মাসে দেশের খেটে খাওয়া নিম্নবিত্ত, ৯টা-৫টার মধ্যবিত্ত, অবস্থাসম্পন্ন উচ্চবিত্ত- সবাই টের পেয়েছে নোবেল পুরস্কারের আড়ালে লুকিয়ে আছে একটা বিষধর সাপ। এই সাপ বাংলাদেশকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে গলাধকরন করার চেষ্টা করছে আর তাকে পেলে পুষে রেখেছে ৭১-এর বিরোধী শক্তিরাই।
এই শক্তিকে প্রতিহত করতে না পারলে আমরা হারাবো আমাদের সার্বভৌমত্ব, আমরা হারাবো স্বাধীনতা। জেগে উঠুন, প্রতিবাদ করুন, সবকিছু বন্ধ করে রাখুন ১৬-১৭ নভেম্বর কমপ্লিট শাটডাউন সফল করুন।
