১৫ দিনে ৭ হিন্দু হত্যা—রাষ্ট্র নীরব, প্রশাসন অচল! অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের শাসনে সংখ্যালঘুদের জীবন এখন এক ভয়ংকর পরীক্ষাগার।
গত ১৫ দিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সংঘটিত ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ডে অন্তত ৭ জন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ নিহত হওয়ার ঘটনায় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর মধ্যে চরম উদ্বেগ, আতঙ্ক ও গভীর নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। দীপু দাস থেকে শুরু করে সর্বশেষ মনি চক্রবর্ত্তী—এই নামগুলো এখন আর শুধু ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়; বরং রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা ও প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তার প্রতীক হয়ে উঠছে।
অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের শাসনামলে সংখ্যালঘু নিরাপত্তা ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়েছে। একের পর এক হত্যাকাণ্ড কাকতালীয় নয়; বরং এটি একটি ধারাবাহিক ও উদ্বেগজনক প্যাটার্ন, যা দেশে আইনের শাসন ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য সরাসরি হুমকি।
সরকারের নীরবতা ও প্রশাসনের অকার্যকারিতাই অপরাধীদের সাহস জোগাচ্ছে। একাধিক ঘটনায় এখনো দৃশ্যমান গ্রেপ্তার ও কার্যকর তদন্ত অগ্রগতি না থাকায় জনমনে প্রশ্ন জোরালো হচ্ছে—
👉 এই ব্যর্থতার রাজনৈতিক দায় কি অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকার এড়াতে পারে?
👉 সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা কি তবে ইচ্ছাকৃতভাবেই উপেক্ষিত?
রাষ্ট্র যদি তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তবে ইতিহাস সেই দায় ক্ষমা করবে না। সংখ্যালঘু নিরাপত্তা কোনো দয়া নয়—এটি রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। এই দায়িত্বে ব্যর্থতার রাজনৈতিক জবাব আজ না হোক, কাল দিতেই হবে।
