Close Menu

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    জনপ্রিয় সংবাদ

    সত্য কথাগুলো বলেন-

    March 7, 2026

    যুক্তরাষ্ট্রের ৩০০ মিলিয়ন ডলারের থাড রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান

    March 7, 2026

    ২০২৬ সালে  জাতির উদ্দেশে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ

    March 7, 2026
    Facebook Instagram WhatsApp TikTok
    Facebook Instagram YouTube TikTok
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Subscribe
    • হোম পেইজ
    • বিষয়
      • দেশ (Bangladesh)
      • আন্তজাতিক (International)
      • জাতীয় (National)
      • রাজনীতি (Politics)
      • অথনীতি (Economy)
      • খেলা (Sports)
      • বিনোদন (Entertainment)
      • লাইফ স্টাইল (Lifestyle)
      • শিক্ষাঙ্গন (Education)
      • টেক (Technology)
      • ধম (Religion)
      • পরবাস (Diaspora)
      • সাক্ষাৎকার (Interview)
      • শিল্প- সাহিত্য (Art & Culture)
      • সম্পাদকীয় (Editorial)
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ করুন
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Home » আমেরিকার সঙ্গে গোলামী সনদ সই
    Bangladesh

    আমেরিকার সঙ্গে গোলামী সনদ সই

    JoyBangla EditorBy JoyBangla EditorFebruary 12, 2026No Comments8 Mins Read
    Facebook WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook WhatsApp Copy Link

    মনজুরুল হক

    দেশের ৫৪ বছরের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সর্বনাশ করে দিল ইউনূস আর তার চামচা বাহিনী। দেশের চরম অবহেলিত কৃষকরা হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে সতের কোটি মানুষের অন্ন যুগিয়ে আসছিল কোনো প্রতিদান ছাড়াই। প্রাকৃতিকভাবে এদেশের উর্বর মাটিকেও এবার বন্ধ্যা করে দেওয়া হলো। এর সুদূরপ্রসারী কুফল-আগামীতে সতের-আঠারো কোটি মানুষের খাদ্যের পুরোটাই আমদানি করতে হবে।

    📍

    দেশের আগাপাশতলা ধ্বংস করে শেষ যেটুকু বেঁচে ছিল তাও শেষ করে দিল পরজীবীরা। অভিনব কায়দায় নির্বাচনের দুই দিন আগে রাত ১০ টায় আমেরিকার সঙ্গে গোলামির সনদে সই করল দেশদ্রোহীরা।

    📍

    আমেরিকার সঙ্গে সই হওয়া বাণিজ্যচুক্তি কার্যকর হলে দেশটি থেকে সাড়ে চার হাজার শ্রেণির পণ্য আমদানিতে কাস্টমস শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক শূন্য করা হলো। চুক্তি কার্যকর হওয়ার দিন থেকেই তা করতে হবে। বাকি ২ হাজার ২১০ শ্রেণির পণ্যে ধাপে ধাপে শুল্ক প্রত্যাহার করতে হবে। অথচ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি হওয়া পণ্যে যে রাজস্ব আদায় হয়, তার ৩৮ শতাংশ আমদানি শুল্ক থেকে এবং ৬২ শতাংশ আসে বিভিন্ন কর থেকে তাও বন্ধ হয়ে যাবে।

    📍

    বলা হচ্ছে চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের ১ হাজার ৬৩৮ শ্রেণির পণ্য রপ্তানিতে ১৯ শতাংশ পাল্টা শুল্ক দিতে হবে না। অথচ প্রকৃত সত্য হলো কেবলমাত্র যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা কাঁচামালে নির্মিত পণ্যে শূন্য শুল্ক হবে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা তুলা দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানিতেও পাল্টা শুল্ক শূন্য হবে। সে ক্ষেত্রে শুধু স্বাভাবিক শুল্ক দিতে হবে, বাংলাদেশের পণ্যের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক সেই গড় শুল্ক হার ১৬ থেকে ১৭ শতাংশ।

    📍

    চুক্তি কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকেই এই সুবিধা কার্যকর করতে হবে বাংলাদেশকে। দ্বিতীয়ত, ১ হাজার ৫৩৮ শ্রেণির পণ্যে চুক্তি কার্যকরের দিন থেকেই শুল্ক ৫০ শতাংশ বা অর্ধেক কমাতে হবে। অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ চার বছরে সমান হারে কমিয়ে পঞ্চম বছরের ১ জানুয়ারি থেকে তা শূন্য করে ফেলতে হবে। তৃতীয়ত, ৬৭২ শ্রেণির বা ধরনের পণ্যে চুক্তি কার্যকরের প্রথম দিন থেকে ৫০ শতাংশ শুল্ক কমাতে হবে। বাকি শুল্ক ৯ বছরে ধাপে ধাপে কমিয়ে দশম বছরে শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে। চতুর্থত, ৪২২ শ্রেণি বা ধরনের পণ্যে বর্তমানে কাস্টমস শুল্ক শূন্য রয়েছে। এটা বহাল রাখতে হবে।

    📍

    চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে কোনো ধরনের কোটা আরোপ করা যাবে না। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে যেসব অশুল্ক বাধা রয়েছে, সেগুলো দূর করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য যাতে প্রতিযোগিতা পড়ে কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে বাংলাদেশকে।

    অর্থাৎ বাণিজ্য চুক্তির নামে কার্যত বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের “৫১ তম স্টেট” করে ফেলা হলো।

    📍

    যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে শুল্কছাড় দেওয়ার ফলে রাজস্ব আদায় চাপে পড়বে। তার মানে যে শুল্ক-কর নামক রাজস্ব আসে, তাতে ধস নামবে। গার্মেন্ট সেক্টরের পরে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আসে আমদানি শুল্ক থেকে। তা বন্ধ হওয়া মানে বিশাল রাজস্ব ঘাটতি।

    📍

    বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তিটি আপাতদৃষ্টিতে তৈরি পোশাক খাতে শুল্ক কমানোর (২০% থেকে ১৯%) সুখবর বলে ধাপ্পাবাজী করলেও এর আড়ালে রয়েছে বিশাল ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও কৃত্রিম তন্তু আমদানিতে শুল্ক শূন্য করা হয়েছে, যা আসলে মার্কিন স্বার্থ রক্ষা করে এবং বাংলাদেশি পণ্যে ৩৪% শুল্কের বোঝা বজায় থাকবে।

    📍

    শুল্ক ছাড়ের শর্ত হিসেবে বাংলাদেশকে মার্কিন তুলা ও কৃত্রিম তন্তু দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি করতে হবে। এর ফলে মার্কিন তুলা আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়বে, যা দীর্ঘমেয়াদে বাণিজ্য ঘাটতি আরও বাড়াবে।

    শুল্ক কমানোর শর্তে যুক্তরাষ্ট্র থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে উড়োজাহাজ ও অন্যান্য পণ্য কেনার শর্তও মেনে নিতে হয়েছে।

    চূড়ান্ত বিচারে এই চুক্তি বাংলাদেশের জন্য শুল্ক সুবিধা নয়ই বরং যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও পণ্যের বাজার একচেটিয়া করার বড় সুযোগ দেয়া হলো যুক্তরাষ্ট্রকে, যেখানে বাংলাদেশ নামমাত্র সুবিধা পেয়েছে।

    📍

    ইতোমধ্যে এই রেসিপ্রোকাল ট্রেড এগ্রিমেন্ট (ART) চুক্তির শর্তাবলী এবং প্রকৃত লাভ-ক্ষতি নিয়ে বিভিন্ন মহলে ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ বা অসম চুক্তির অভিযোগ উঠেছে। সেগুলো কেমন?

    ১। চুক্তির ফলে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত পাল্টা শুল্ক (Reciprocal Tariff) মাত্র ১ শতাংশ কমে ২০ শতাংশ থেকে ১৯ শতাংশে নেমেছে। এত বড় একটি চুক্তির বিনিময়ে মাত্র ১ শতাংশ শুল্ক হ্রাস উল্লেখযোগ্য অর্জন নয়।

    ২। মার্কিন বাজারে বাংলাদেশি পোশাক রপ্তানিতে ‘শূন্য শুল্ক’ সুবিধা পাওয়া যাবে কেবল তখনই, যদি সেই পোশাক তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত তুলা বা কৃত্রিম তন্তু (MMF) ব্যবহার করা হয়। এতে বাংলাদেশের স্থানীয় তুলা উৎপাদনকারী ও অন্যান্য দেশ থেকে কম দামে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বন্ধ হলো।

    ৩। শুল্ক সামান্য কমানোর বিনিময়ে বাংলাদেশকে আগামী ১৫ বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি পণ্য এবং ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের কৃষি পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দিতে হয়েছে। যার ফলে এই পণ্য অন্য কোনো দেশ থেকে সস্তায় পেলেও কেনা যাবে না।

    ৪। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প ও কৃষি পণ্যের যেমন: গরুর মাংস, পোল্ট্রি, দুগ্ধজাত পণ্য, এবং রাসায়নিক সারের জন্য বাজার উন্মুক্ত করতে রাজি হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশের স্থানীয় ডেইরি ও পোল্ট্রি শিল্প এবং প্রান্তিক কৃষকরা হুমকির মুখে পড়ল।

    ৫। বাংলাদেশ এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ির নিরাপত্তা মানদণ্ড এবং FDA সনদপ্রাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধ সরাসরি কিনতে বাধ্য থাকবে। এতে বাংলাদেশের BSTI-এর কর্তৃত্ব শেষ হবে।

    ৬। চুক্তির বিস্তারিত শর্তাবলী জনসম্মুখে প্রকাশের আগেই তড়িঘড়ি করে সই করায় জনগণ জানতেও পারল না কীভাবে তাদের উপকারের কথা বলে চরম সর্বনাশ করা হলো।

    ৭। আমেরিকান জেনোমেডিক্যালি মডিফায়েড (GM) খাদ্য ও বীজ আমদানির ফলে বাংলাদেশের কৃষি ও জনস্বাস্থ্যে দীর্ঘমেয়াদী সর্বনাশ হবে, যেমনঃ

    📍(ক) জিএম বীজের পেটেন্ট থাকবে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর হাতে। একবার এই বীজ চাষ শুরু করলে কৃষকরা আগের মতো নিজেদের বীজ সংরক্ষণ করতে পারবেন না। প্রতি বছর চড়াদামে নতুন বীজ কিনতে তারা আমেরিকান কোম্পানির ওপর স্থায়ীভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়বে।

    📍(খ) আমেরিকান জিএম ফসলের পরাগরেণু বাতাসের মাধ্যমে স্থানীয় দেশি ফসলের সঙ্গে মিশে যেতে পারে, যাকে বলে- Genetic Pollution। এতে আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী দেশি জাতের বীজগুলো নিজস্ব বৈশিষ্ট্য হারিয়ে চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

    একসময় ধান্ধাবাজ ফরহাদ মজহার এই জিএম ফুড ও জিএম সীডের বিরোধীতা করে লম্বা লম্বা আর্টিকেল লিখতেন। ‘নয়াকৃষি’ নামক লোকদেখানো আন্দোলন করতেন। আজকে তারই স্ত্রী যে সরকারের উপদেষ্টা, তার সেই পছন্দের সরকার উমিচাঁদ-রায়দুর্লভ-জগতশেঠের মত কামিমবাজার কুঠিতে বসে আমেরিকার কাছে বাংলাদেশে কৃষি ও কৃষকের ভবিষ্যৎ বিক্রি করে দিল।

    📍(গ) আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞানীদের মতে জিএম খাদ্যে এমন কিছু প্রোটিন বা জিনগত পরিবর্তন থাকে যা মানুষের শরীরে অ্যালার্জি, লিভার বা কিডনির ক্ষতি এবং অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স তৈরি করে।

    📍(ঘ) ‘বিটি’ প্রযুক্তির ফসল চাষের ফলে নির্দিষ্ট কিছু পোকা ওই বিষের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করতে পারে। ফলে পরবর্তীতে আরও শক্তিশালী কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন হবে।

    📍(ঙ) বাংলাদেশ বর্তমানে অনেক ফসলে স্বয়ংসম্পূর্ণ, কিন্তু এই চুক্তির মাধ্যমে বাজার উন্মুক্ত করে দিলে এবং বিদেশি বীজের আধিপত্য তৈরি হলে দেশের সার্বিক খাদ্য নিরাপত্তা অন্য দেশের বাণিজ্যিক নীতির ওপর জিম্মি হয়ে পড়বে।

    📍

    এইসব মারাত্মক জরুরি বিষয় বিবেচনা, দেশের কৃষকের স্বার্থ রক্ষা, দেশের কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের বাজার নিশ্চিত করা এবং নিজেদের কৃষি ও কৃষিজাত পণ্যের সুরক্ষার জন্য ভারত তাদের বাজারে আমেরিকার জিএম পণ্য জিএম সীড ঢুকতে দেয়নি। ৫০% ট্যারিফের চাপ তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছে। আমেরিকা বিভিন্নভাবে চাপ দিয়েও ভারতকে রাজি করাতে পারেনি। আর আমাদের পরগাছা প্রবাসী দেশদ্রোহীরা হাসতে হাসতে দেশের কৃষি ও কৃষকের সমাধি রচনা করে দিল ব্যক্তিগত লাভের আশায়।

    📍

    কি মনে হয়? বিএনপি-জামাত ক্ষমতায় আসলে এই চুক্তি বাতিল করে দেবে? পারবে? আসুন দেখা যাক শর্ত কি বলে?

    📍

    নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি পর্যালোচনার আইনি সুযোগ থাকলেও এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জটিলতা ও আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি থাকে। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার রেসিপ্রোকাল ট্রেড এগ্রিমেন্ট বাতিলের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:

    📍

    প্রথমতঃ সাধারণত প্রতিটি আন্তর্জাতিক চুক্তিতেই ‘টার্মিনেশন ক্লজ’ বা বাতিলের নিয়ম থাকে। যদি চুক্তিতে এমন কোনো ধারা থাকে যে নির্দিষ্ট সময়ের নোটিশে (যেমন ৬ মাস বা ১ বছর) যেকোনো পক্ষ চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে, তবে পরবর্তী সরকার আইনিভাবেই এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারবে।

    দ্বিতীয়তঃ আন্তর্জাতিক আইন বা Vienna Convention on the Law of Treaties-এর অধীনে যদি কোনো চুক্তি জবরদস্তি, ভুল তথ্য প্রদান বা দেশের স্বার্থের চরম পরিপন্থী প্রমাণিত হয়, তবে নতুন সরকার তা চ্যালেঞ্জ করতে পারে।

    কিন্ত্র এই চুক্তি বাতিল করলে মার্কিন বিনিয়োগকারী বা কোম্পানিগুলোর আর্থিক ক্ষতি হয়, তবে তারা আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতে মামলা করবে। এতে বাংলাদেশকে বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

    একতরফাভাবে চুক্তি বাতিল করলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি হবে। এর ফলে বাংলাদেশি পোশাকের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ বা জিএসপি সুবিধা পাওয়ার আশা চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে।

    অর্থাৎ ধরে নেয়া যায় আগামী কোনো সরকারই এই চুক্তি বাতিলের কথা মাথায়ও আনবে না। তাতে দেশের যত বড় সর্বনাশ হোক না কেন।

    📍

    শুল্ক সামান্য কমানোর বিনিময়ে বাংলাদেশকে আগামী ১৫ বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি (LNG) এবং ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের কৃষি পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য প্রায় ৩০-৩৫ হাজার কোটি টাকার ২৫টি বোয়িং বিমান কেনার সম্মতি, মার্কিন কৃষি ও শিল্প পণ্যের জন্য বাংলাদেশের বাজার উন্মুক্ত করা, স্থানীয় খামারিদের ঝুঁকিতে ফেলা, বাংলাদেশকে ভূ-রাজনৈতিকভাবে মার্কিন বলয়ের দিকে ঠেলে দেয়া, ভবিষ্যতে চীন বা রাশিয়ার সাথে জ্বালানি বা প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পথ বন্ধ করা হলো এই এক ননডিসক্লোজার রেসিপ্রোকাল ট্রেড এগ্রিমেন্ট সই করে।

    📍

    এটা দেশের কফিনে ইউনূস গংয়ের সবচেয়ে বড় পেরেক। সামগ্রিকভাবে চুক্তিটি নিয়ে খুব সংক্ষেপে যে বিপদের কথা বলা হয়েছে, প্রকৃত বিপদ এর চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। সেসব বিস্তারিত জানলে যে কোনো দেশপ্রেমিক নাগরিকের রাতের ঘুম উড়ে যেতে বাধ্য।

    📍

    কেউ জানে না এটাই শেষ পেরেক কীনা? হয়ত সামনের দিনে এর চেয়েও ভয়ঙ্কর দাসত্বের কোনো চুক্তিও করে বসবে ইউনূসের সরকার। নির্বাচিত হতে যাওয়া বিএনপি কিংবা জামাত এবং অন্যান্য রাজনীতিবিদ নামক দেশ বিক্রির ভাগীদাররা নীরব দর্শকের মত বসে বসে দেখবে। আমাদের কোটি কোটি কৃষক-শ্রমিক উদয়ান্ত পরিশ্রম করে দিন শেষে ভূখা পেটে ভাগ্যকে দায়ী করে উপর দিকে কারো কাছে বিচার দেবে। তাদের সেই সর্বশান্ত হওয়া গগনবিদারী চিৎকারের মধ্যেই সমাজের এইসব পরগাছা দেশদ্রোহীরা কোটি কোটি ডলার পাচার করে দুনিয়াতেই নিজেদের বেহেশত বানিয়ে নেবে।

     লেখক: সাংবাদিক।

    picks
    Share. Facebook WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপালিয়ে যাওয়ার আগে শেষ মুহূর্তে ইউনুস সরকারের দেশ বিক্রির চুক্তি
    Next Article ২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা, কোন দল কত পেল
    JoyBangla Editor

    Related Posts

    সত্য কথাগুলো বলেন-

    March 7, 2026

    ২০২৬ সালে  জাতির উদ্দেশে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ

    March 7, 2026

    ৭ মার্চ উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা

    March 7, 2026

    ৭ মার্চ ১৯৭১, সেই থেকে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের

    March 7, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সম্পাদকের পছন্দ

    সত্য কথাগুলো বলেন-

    March 7, 2026

    ২০২৬ সালে  জাতির উদ্দেশে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ

    March 7, 2026

    ৭ মার্চ উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা

    March 7, 2026

    বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের বিশ্বস্বীকৃতি

    March 7, 2026
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • TikTok
    মিস করবেন না
    Politics

    সত্য কথাগুলো বলেন-

    By JoyBangla EditorMarch 7, 20260

    উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার সাখাওয়াত আরেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা নির্বাচনের এক সপ্তাহ না যেতেই তাদের মনের লুকানো সত্যগুলো…

    যুক্তরাষ্ট্রের ৩০০ মিলিয়ন ডলারের থাড রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান

    March 7, 2026

    ২০২৬ সালে  জাতির উদ্দেশে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ

    March 7, 2026

    ৭ মার্চ উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা

    March 7, 2026

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    About Us
    About Us

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও লালন করে দেশ ও বিদেশের খবর পাঠকের কাছে দুত পৌছে দিতে জয় বাংলা অঙ্গিকার বদ্ধ। তাৎক্ষণিক সংবাদ শিরোনাম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পেতে জয় বাংলা অনলাইন এর সঙ্গে থাকুন পতিদিন।

    Email Us: info@joybangla.co.uk

    Our Picks

    সত্য কথাগুলো বলেন-

    March 7, 2026

    ২০২৬ সালে  জাতির উদ্দেশে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ

    March 7, 2026

    ৭ মার্চ উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা

    March 7, 2026

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.