জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর ওপর সংঘটিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের ঘটনায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
শিরীন শারমিন চৌধুরী মহান জাতীয় সংসদে সংবিধানসম্মত পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং তিনি দেশের প্রথম নারী স্পিকার। একজন মেধাবী, পরিশীলিত ও মানবিক বোধসম্পন্ন নারী রাজনীতিবিদের প্রতি এ ধরনের অমানবিক আচরণ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও আইনের শাসনের পরিপন্থী এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।
রাষ্ট্রের সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালনকারী এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের মর্যাদা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে এ ধরনের আচরণ শুধু ন্যক্কারজনকই নয়, বরং তা নিকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে থাকবে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের মিথ্যা মামলা ও নিপীড়নমূলক কর্মকাণ্ড দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে বিপন্ন করেছে। এটি ন্যায়বিচারের পরিপন্থী এবং আইনের অপব্যবহারের একটি জঘন্য দৃষ্টান্ত।
আমরা অবিলম্বে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি। পাশাপাশি জাতীয় নেতৃবৃন্দ-সহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং সকল রাজবন্দির মুক্তি চাই। বাংলাদেশকে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে এর বিকল্প নেই।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
