মির্জাপুর বাসী যদি এই নারকীয় হত্যাকান্ডের বিচার আদায় না করতে পারে তাহলে এর অভিশাপ আমাদের সকলের উপরই পড়বে।
মায়ের কথা বাদই দিলাম- ৭ মাসের অনগত শিশুর অভিশাপ থেকে বাঁচতে পারবেন?
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মাটি খুঁড়ে বস্তাবন্দি মা ও নবজাতকের মরদেহ উদ্ধারের ছয় দিনেও পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। ধারণা করা হয়, হতভাগ্য ওই নারীকে ধর্ষণ করে হত্যার সময় তাঁর সন্তান প্রসব হয়ে যায়। পরে উভয়কেই মাটিচাপা দিয়ে পালিয়ে যায় ঘাতক। এ ঘটনায় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া যায়নি এখনো।
গত সোমবার রাত ৮টার দিকে মির্জাপুর থানার পুলিশ উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের গুনটিয়া গ্রামের লৌহজং নদীর পার থেকে মাটি খুঁড়ে মা ও নবজাতকের লাশ উদ্ধার করে। পরিচয় না পাওয়ায় তাদের বেওয়ারিশ হিসেবে মির্জাপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছে, ২০ এপ্রিল সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে তারা ওই এলাকায় দুর্গন্ধ পায়। পরে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে নারীর চুল দেখতে পায়।
মাটির নিচে বাস্তার এক অংশ কুকুর কামড়াচ্ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি খুঁড়ে ওই নারী ও নবজাতকের লাশ উদ্ধার করে।
মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জাবেদ পারভেজ বলেন, মাটি খুঁড়ে ওই নারীকে বের করে আনার সময় তাঁর সঙ্গে এক নবজাতকের লাশ পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারী প্রায় সাত মাসের গর্ভবতী ছিলেন।
তাঁর মৃত্যুর সময় নবজাতক প্রসব হয়। তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। পুলিশ পরিচয় নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
প্রতিবেদন : কালেরকণ্ঠ
