মাছ চাষ করতে আর পুকুর লাগবে না, জমিও লাগবে না! ভোলার নদীতে খাঁচায় মাছ চাষ করে নিজেদের ভাগ্য বদলাচ্ছেন শত শত বেকার তরুণ।
নদীমাতৃক বাংলাদেশের জন্য এক জাদুকরী আশীর্বাদ এই খাঁচায় মাছ চাষ (Cage Fish Farming)। ভোলার সদর উপজেলা থেকে শুরু করে বিভিন্ন নদীর প্রবহমান পানিতে জিআই পাইপ, ড্রাম আর জাল দিয়ে ভাসমান খাঁচা বানিয়ে চলছে মাছ চাষের মহোৎসব!
কেন এটি পুকুরের চেয়ে হাজার গুণ সেরা?
✅ জিরো জমি খরচ: পুকুর খনন বা জমি কেনার কোনো খরচ নেই। নদীতে খাঁচা ভাসালেই হলো!
✅ অবিশ্বাস্য স্বাদ ও স্বাস্থ্য: নদীর স্রোতের বিপরীতে মাছকে সাঁতার কাটতে হয় বলে এতে অতিরিক্ত চর্বি জমে না। অ্যান্টিবায়োটিক ছাড়াই মাছ থাকে ১০০% রোগমুক্ত। আর স্বাদ? একদম নদীর আসল মাছের মতো, পুকুরের কাদার গন্ধ (Off-flavor) বিন্দু মাত্র নেই!
✅ অধিক লাভ: একটি খাঁচা বানাতে খরচ ১০-১২ হাজার টাকা। মাত্র ৩-৪ মাসেই মাছ বিক্রির উপযোগী হয়। সব খরচ বাদে একেকটি খাঁচা থেকে বছরে ২৫-৩০ হাজার টাকা নিট লাভ!
মৎস্য অধিদপ্তরের মতে, দেশের নদীগুলোর মাত্র ১০-১৫% জায়গায় এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ করলে বছরে অতিরিক্ত ৮ হাজার কোটি টাকার মাছ উৎপাদন সম্ভব। বাঁচবে আমদানি খরচ, মিটবে প্রোটিনের চাহিদা।
আপনার মতে, দেশের বেকারত্ব দূর করতে সরকারের কি অবিলম্বে নদীমাতৃক জেলাগুলোর যুবকদের বিনামূল্যে এই খাঁচা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া উচিত?( ফেইসবুক থেকে সংগ্রহ)
