পলিন মাঝি
এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাবেক মহাসচিব আইরিন খান বিএনপি সরকারের প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন।
এই নিয়োগ হচ্ছে আওয়ামী লীগ আমলে তথাকথিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিশ্বব্যাপী মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর পুরষ্কার। জোবাইদা রহমানের চাচাতো বোন জানার পরও আওয়ামী লীগ সরকার তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়া কিম্বা নিতে না পারাটা ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের চরম ব্যর্থতা, যার খেসারত আওয়ামী লীগকে দিতে হয়েছে।
বিএনপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের চাচাতো বোন। জুবাইদা রহমানের বাবা মরহুম রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান সম্পর্কে আইরিন জে. খানের চাচা।
এবং তিনি একজন ব্রিটিশ নাগরিক জাতিসংঘের বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধ, এই বিষয়টি নানা মহলে ইতোমধ্যেই বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
ব্রিটিশ- বাংলাদেশি নাগরিক ও মানবাধিকারকর্মী আইরিন জে. খানকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বিএনপি সরকার, সেই সঙ্গে তাকে প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা দেওয়া হয়েছে।
আইরিন খান গত ২৩ মাসে বাংলাদেশে গুরুতর মানবধিকার লঙ্ঘন প্রসঙ্গে স্পিকটি নট, টু শব্দটি করেননি। তিনি আত্মীয় ও পরিবার কোটায় “সিনিয়র সচিব” প্রতিমন্ত্রী মর্যাদা নিয়োগ পেলেন। আইরিন খান স্বাধীন আন্তর্জাতিক পরিদর্শক থেকে সরাসরি রাষ্ট্রের পক্ষে ভূমিকা একটি গুরুতর স্বার্থের সংঘাত (Conflict of Interest) তৈরি করতে পারে, যা জাতিসংঘের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে।
