ইসতিয়াক আহমদ চৌধুরী এডভোকেট
সিলেটের কৃতিসন্তান ডঃ তৌফিক ই এলাহী বীরবিক্রম বিনাবিচারে ইউনুস সরকার কর্তৃক গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘ দুই বছর থেকে কারান্তরীণ। সম্পুর্ন অন্যায় ভাবে, বিনা বিচারে আটক এই মেধাবী, কর্মদক্ষ ব্যক্তির অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি চাই।
জনাব তৌফিক ই ইলাহী চৌধুরী বীরবিক্রম ১৯৪৫ সালে সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার থানার নাটেশ্বর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। উনার নানার বাড়ি সিলেট জেলার জকিগঞ্জ থানার পিল্যাকান্দি গ্রামে।
শিক্ষা 🌎 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে (স্নাতক/স্নাতকোত্তর ।
বিশ্ব বিখ্যাত হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে PHD ডিগ্রি অর্জন।
⛔১৯৬৮ সালে সুপিরিয়র সার্ভিস পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগদান।এর আগে বছর দুয়েক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন।
১৯৭১ দেশ স্বাধীনের পরবর্তী তে তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে যোগদান করেন।
এবং সচিব -খাদ্য মন্ত্রনালয় সচিব -পরিসংখ্যান বুরো/মন্ত্রনালয় সচিব -জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় (১৯৯৭-২০০০). দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়া সরকারি মালিকানাধীন শিল্প ব্যাংকের CEO ও MD দায়িত্ব পালন করেন।
২০০২ সালে সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করলে UN Agencies ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় Consultant এর দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৯-২০২৪ এর দীর্ঘ আ’লীগ শাসনকালে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রীর মর্যাদা) দায়িত্ব পালন করেন।
১/১১ সরকারের সময় তিনি জননেত্রী শেখ হাসিনা সাথে একই মামলায় আসামি হিসেবে দীর্ঘ ২ বৎসর কারাভোগ করেন। পরবর্তী তে নির্দোষ প্রমাণিত হলে মুক্তি লাভ করেন।
১৯৭১ সালে মেহেরপুর মহকুমার SDO থাকাকালে বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি উনার কর্মস্থল থেকে মুক্তিযোদ্ধে সরাসরি যোগদান করেন।অত্র এলাকাবাসী , মহকুমার বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারীদের সাথে নিয়ে পাকিস্তানী আর্মিদের মোকাবেলা করার প্রস্তুতি গ্রহণ করেন।২/১ দিনের ভিতর জাতীয় নেতা তাজউদ্দীন আহমদ ও স্বাধীনতা ঘোষণাপত্রের অন্যতম রচয়িতা ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম ভারতে আশ্রয় গ্রহনের জন্য মেহেরপুর এসে পৌঁছলে উনি ভারত সরকারের সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধের এই দুই সেনানীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ভারত সরকার গ্রহণ করে।
তিনি একজন SDO হিসেবে প্রবাসী সরকার তাকে প্রবাসী সরকারের দপ্তরে কাজ করার অনুরোধ জ্বানালে তিনি এ প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে চুয়াডাঙ্গা সেক্টরের একজন সাব সেক্টর কমান্ডার হিসেবে রণাঙ্গনে সরাসরি সম্মুখ যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন।তার মুক্তিযোদ্ধা অসামান্য অবদানের জন্য বীর বিক্রম খেতাবে সম্মানিত করা হয়। এবং উনাকে অনারারি ক্যাপ্টেন হিসেবে সশস্ত্র বাহিনী গেজেটভুক্ত করে।
পারিবারিক জীবনে কবি জসীম উদ্দিন এর কন্যার সাথে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
উনার দুই কন্যা সন্তান রয়েছেন।
উনার রচিত মুক্তিযুদ্ধ, রাজনীতি, ১/১১ জেল জীবন নিয়ে 👉 Chariot of life: Lebanon war, Politics and Sojourn in jail. (2018).
জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে, বাংলাদেশ কে বিদ্যুৎ খাতে স্বয়ং সম্পূর্ণ করতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।যার পরিপ্রেক্ষিতে দেশে কয়েকটি মেগা বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে, বেসরকারী খাতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রধান ব্যক্তি তিনি।তিনিই বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে অগ্রনী ভুমিকা পালন করেন।
গভীর সমুদ্র থেকে অফুরন্ত গ্যাস উত্তোলন করার ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন ছিল। এই প্রজেক্ট বাস্তবায়িত হলে আমাদের গ্যাসের চাহিদা মিটিয়ে আমরা গ্যাস সিলিন্ডারের মাধ্যমে ও সরাসরি বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা সম্ভব হত।
বীর মুক্তিযোদ্ধা, অসম্ভব মেধাবী, কর্মবীর এই সম্মানিত ব্যক্তিকে ইউনুসের প্রতিহিংসার কারণে ৮১ বৎসর বয়সে বিনা কারণে কারাগারে অন্তরীণ রাখা হয়েছে।
উনার অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি এবং উনার মুক্তির দাবিতে সিলেটবাসীর সর্বাত্মক সমর্থন কামনা করি।
