সাবস্ক্রাইব
সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।
Author: JoyBangla Editor
ঢাকা, বাংলাদেশ – প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় অভিযোগ করেছেন যে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আওয়ামী লীগকে আগামী নির্বাচন থেকে জোরপূর্বক দূরে রাখতে নতুন ‘কালো আইন’ তৈরির ষড়যন্ত্র করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, প্রস্তাবিত এই আইনগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে তৃণমূল কর্মীদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা। সজীব ওয়াজেদ জয়ের মতে, এই লক্ষ্যে দুটি বিতর্কিত আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রথমত, ‘আইসিটি অর্ডিন্যান্স ২০২৫’-এর জন্য প্রস্তাবিত সংশোধনীতে বলা হচ্ছে, আইসিটি ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত যেকোনো ব্যক্তি জাতীয় বা স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্যতা হারাবেন। দ্বিতীয়ত,…
বাংলাদেশের ইতিহাসে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য সর্বদা জাতির অন্তরে গভীরভাবে প্রোথিত। পীর–আউলিয়া, গাউস–কুতুব ও ওলীদের মাজার শুধু ধর্মীয় কেন্দ্র নয়, বরং সামাজিক মিলনস্থলও বটে। শত শত বছর ধরে এসব স্থান মানুষের আত্মিক চর্চা, সাম্য ও মানবতার শিক্ষার প্রধান উৎস হয়ে আছে। অথচ সাম্প্রতিককালে দেশজুড়ে যে বর্বর তাণ্ডব চালানো হচ্ছে, তা আমাদের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক ইতিহাসকে ধ্বংস করার এক নৃশংস অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়। গোয়ালন্দের ঘটনা চরম উন্মত্ততার দৃষ্টান্ত স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, গোয়ালন্দ উপজেলা ইমাম পরিষদের সভাপতি ও থানা জামায়াতের সভাপতি মৌলানা জালাল প্রায় ১৫–২০ দিন আগে ‘ঈমান ও আকিদা রক্ষা কমিটি’ নামের একটি সংগঠন গঠন করেন। প্রথম দেখায়…
।।ইব্রাহিম চৌধুরী।। বাংলাদেশের রাজবাড়িতে যে ভয়ঙ্কর ও হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে, তা কেবল একটি জেলার সীমায় সীমাবদ্ধ নয়; এটি সমগ্র জাতির সামনে এক নির্মম আয়না তুলে ধরেছে। কবর থেকে মরদেহ তুলে এনে উন্মত্ত জনতার হাতে পুড়িয়ে ফেলা—এই অমানবিকতা সভ্যতার জন্য লজ্জাজনক, ধর্মীয় মূল্যবোধের জন্য কলঙ্কজনক এবং রাষ্ট্রের জন্য চরম ব্যর্থতার প্রতীক। আমরা যে দেশে জন্ম নিয়েছি, যে সমাজে বেড়ে উঠেছি, সেই সমাজের মানুষই কীভাবে এতটা বর্বর হতে পারে—এই প্রশ্ন আজ সকলের মনে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর বেলা তিনটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত দফায় দফায় দরবারে হামলা করে একদল লোক। তাঁরা শরিয়ত–পরিপন্থীভাবে দাফনের অভিযোগ তুলে নুরাল পাগলার লাশ কবর থেকে তুলে পুড়িয়ে…
# পূর্ব লন্ডনের শত শত কাউন্সিল বাড়ি স্থানীয় কর্তৃপক্ষের হাউজিং অফিসাররা জালিয়াতির মাধ্যমে ভাড়াটেদের বরাদ্দ করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, যারা বাড়ির জন্য নগদ অর্থ দাবি করেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বৃহস্পতিবার বার্কিং, ডাগেনহ্যাম এবং এসেক্সে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে “কয়েকশ” সামাজিক আবাসন ভুলভাবে লোকেদের দেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগ পাওয়ার পর লন্ডন সিটি পুলিশ এবং কাউন্সিল যৌথভাবে ঘুষ ও দুর্নীতির তদন্ত – অপারেশন চন্দ্রিলা – শুরু করেছে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার দল, জনগণের দল। বাংলাদেশের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে একটি সত্য অনস্বীকার্যভাবে সামনে আসে আওয়ামী লীগের জন্ম না হলে আজকের বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অস্তিত্বই থাকত না। যে দলের জন্ম না হলে আমরা হয়তো এখনো পরাধীনতার শৃঙ্খলে বন্দি থাকতাম। যে দলের জন্ম না হলে স্বাধীনতার স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যেত। যে দলের জন্ম না হলে আজকের লাল-সবুজ পতাকা আকাশে উড়ত না, জাতিসংঘে উচ্চারিত হতো না বাংলাদেশের নাম, পদ্মা-মেঘনা-যমুনার তীরে স্বাধীনতার সীমানা টানা যেত না। মুক্তির মন্ত্র আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগই বাঙালিকে মুক্তির মন্ত্র শিখিয়েছে। ভাষা আন্দোলন থেকে ছয় দফা, গণঅভ্যুত্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধ প্রতিটি সংগ্রামের মোড়ে এই…
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার পুত্র এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় অভিযোগ করেছেন, বর্তমান অবৈধ ইউনূস সরকার আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করতে নতুন নতুন কালো আইন প্রণয়নের চেষ্টা করছে। ফেসবুক প্রোফাইলে এক পোস্টে এই অভিযোগ তুলে ধরে তিনি সরকারের প্রস্তাবিত আইন সংশোধনীগুলোকে ‘অসাংবিধানিক’ ও ‘প্রতিহিংসামূলক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। জয়ের পোস্টে বলা হয়, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম ইতিমধ্যে অবৈধভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এরপরও ইউনূস সরকার বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত আইসিটি অর্ডিন্যান্স ২০২৫-এর সংশোধনী এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর সংশোধনীর মাধ্যমে সরকার এমন বিধান প্রণয়ন করতে…
লেখক, গবেষক ও বামপন্থী রাজনীতিক বদরুদ্দীন উমর মারা গেছেন। রোববার সকাল ১০টা ৫ মিনিটে রাজধানীর কল্যাণপুরের বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি… রাজিউন)। জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল হাকিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘উনার শারীরিক অবস্থা আগে থেকেই খারাপ ছিল। সকালে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’ বদরুদ্দীন উমরের বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় আক্রান্ত ছিলেন। শ্বাসকষ্ট ও লো প্রেশারের কারণে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে মিরপুরের রূপনগরের বাসা থেকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিছুদিন আগেও হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। দিনদশেক চিকিৎসা নিয়েছিলেন। বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশনের সভাপতি…
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, ‘আমার বাড়ি ভেঙেছে, আরও ভাঙুক। বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর বাড়িতে যখন গিয়েছিলাম, তখন আমার গাড়ি ভেঙেছিল। আরও ভেঙে যদি দেশে শান্তি স্থাপন হয়, দেশের কল্যাণ হয়, আমি সবসময়ই রাজি আছি।’ রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় টাঙ্গাইল সদরের আকুর টাকুর পাড়ায় নিজের বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। কাদের সিদ্দিকী জানান, শনিবার রাতে তার বাড়িতে হামলা চালানো হয়। ১০–১২ জন লোক ঢিল ছুড়ে গাড়ি ভাঙচুর করেছে। তিনি বলেন, ‘কারা করেছে আমরা জানি না। আমি মামলা করবো। কোটাবিরোধী ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পরে আমরা এই স্বৈরাচারী মনোভাব আশা…
বাংলাদেশ আজ এক অন্ধকার সময়ের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। প্রকাশ্যে কশাইয়ের মতো মানুষ খুন হচ্ছে, লাশ পড়ছে রাস্তায়, কিন্তু প্রশাসন নির্বিকার। মানবিকতা কোথায় গেলো? আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কি কেবল দুর্বল আর নিরীহ মানুষের ওপর দমনপীড়ন চালানোর জন্যই? প্রতিদিন খুন, খুন আর খুন কিন্তু খুনিদের গ্রেপ্তার নেই, শাস্তি নেই। এ যেন বিচারহীনতার এক ভয়ংকর সংস্কৃতি। হত্যাকারী মুক্ত, ভুক্তভোগী বন্দি বাংলাদেশের আজকের বাস্তবতা হলো,যারা খুন করে তারা রাষ্ট্রের ছত্রছায়ায় নিরাপদ, অথচ যারা ভুক্তভোগী তারাই জেল-হাজতে। বিএনপি নিজের মুখেই স্বীকার করেছে তাদের চার হাজার নেতা-কর্মী বহিষ্কৃত হয়েছে নানা অপকর্মের জন্য। কিন্তু বিস্ময়করভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখে তারা নিষ্পাপ! তাই তাদের ধরা হয় না, আটক করা…
দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যখন অস্থির হয়ে ওঠে, তখন সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হয় সাধারণ মানুষকে। আজকের বাংলাদেশে আমরা সেই চিত্রই দেখতে পাচ্ছি। একদিকে রাজনৈতিক উত্তেজনা, অন্যদিকে অর্থনীতির নাজুক অবস্থা। এই দুইয়ের মিশ্রণে তৈরি হয়েছে এমন এক পরিস্থিতি যা দেশের ভবিষ্যতের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ। গত কয়েক মাসে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিরতা, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংঘাত এবং সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের ঘটনাগুলো যেন একটি বার্তাই দিচ্ছে – রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এখনও অধরা। এই অস্থিরতার সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছে দেশের অর্থনীতি, আর তার প্রভাব পড়ছে কোটি কোটি সাধারণ মানুষের জীবনে। অর্থনীতিবিদরা বরাবরই বলে আসছেন যে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ছাড়া টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।…