সাবস্ক্রাইব
সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।
Author: JoyBangla Editor
।।কবির য়াহমদ।। লন্ডন আওয়ামী লীগকে বিশাল এক মোমেন্টাম এনে দিয়েছে। প্রফেসর ইউনূস লন্ডনে গিয়ে যে বিরোধিতা আর অপমানের মুখে পড়েছেন, সে রকম হয়ত তিনি ঘুণাক্ষরে চিন্তা করতে পারেননি। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়্যার স্টারমারের সাক্ষাৎ পেতে অনিশ্চয়তাই কেবল নয়, লন্ডনে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা একেবারে ডাস্টবিনে মুহাম্মদ ইউনূস ও শফিকুল আলমের ছবি প্রদর্শন করেছে। স্বাভাবিকভাবে ডাস্টবিনে এই ছবি প্রদর্শনকে সমর্থন করি না। তবে এই খেলা শুরু করেছিলেন দেশে শফিকুল আলম। তিনি বাংলা একাডেমির বইমেলায় গিয়ে যে ন্যক্কারজনক দৃশ্যের অবতারণা করেছিলেন, সেটা এখন তাকে সারাবিশ্বে নিয়ে গেছে। এখন কেবল বাংলাদেশিরাই নয়, ব্রিটিশরাসহ অপরাপর দেশের লোকজনেরা মুহাম্মদ ইউনূস ও শফিকুল আলমের ছবিযুক্ত ডাস্টবিনে ময়লা ফেলবে।…
।।নুসরাত জাহান।। ‘জমিতে কারও একতরফা অধিকার নেই। আল্লাহর সৃষ্ট মানুষ সবাই সমান। জমির ওপর সকলের অধিকার সমান। মানুষের ওপর যে অত্যাচার করে তার শাসক হওয়ার কোনো অধিকার থাকে না।’ এই সরল-কঠিন বাক্য উচ্চারিত হল কংস নদীর তীরে। নির্মাণ হলো স্বাধীন কৃষক রাজ্য যাদের ধর্ম ফসলের সুষম বণ্টন, যাদের তীর্থ পোয়াতি খেত আর বহতা নদী। তারা কোনো শাসকের করদ নয়, কোনো রাজার কাছে তারা খাজনা দেয় না। উন্নয়নের যুগে এসব শুনতে ইউটোপিয়ান মনে হলেও এই ইউটোপিয়ার বাস্তবায়ন ঘটেছিল বাংলার মাটিতেই। যারা সেই স্বাধীন কৃষক রাজ্য বানিয়েছিলেন আজও তাদের মতাদর্শিক উত্তরাধিকার আমাদের পথে প্রান্তরে ঘুরে বেড়ান। আমরা তাদের পাগল নামে চিনি। পাগলপন্থা—…
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের যুক্তরাজ্য সফরের মধ্যে টানা দ্বিতীয় দিনের মত লন্ডনে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের একটি অংশ এদিন লন্ডনে চ্যাথাম হাউজের সামনে বিক্ষোভ দেখান। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস তখন চ্যাথাম হাউজের বিশেষ সংলাপে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এছাড়া আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আরেকটি অংশ এদিন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সামনে বিক্ষোভ করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসা ভিডিওতে দেখা যায়, চ্যাথাম হাউজের সামনে বিক্ষোভকারীরা প্ল্যাকার্ড হাতে ইউনূসের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছেন। ইউনূসের বিরুদ্ধে ‘অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের’ অভিযোগ করেন তারা। সকাল ৯টা থেকে ১১টা চ্যাথাম হাউজের সামনে এই বিক্ষোভ চলে। আর ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সামনে ‘ব্রিটিশ বাংলাদেশি ডায়াসপোরা ফোরাম ইউকের’ ব্যানারে বিক্ষোভ হয় বেলা…
৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ভাঙা নিয়ে প্রশ্নে ইউনূস সরাসরি উত্তর দেননি, বললেন ‘পরিস্থিতি এখন শান্ত’
ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার সময় অন্তর্বর্তী সরকারের নীরবতা নিয়ে লন্ডনে আয়োজিত এক সংলাপে প্রশ্নের মুখোমুখি হলেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। সেই সরকার দেশে কী করে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করবে– এমন প্রশ্নে তিনি বললেন, দেশের পরিস্থিতি এখন ‘শান্ত’, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠাই সরকারের ‘এক নম্বর লক্ষ্য’। গত ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ওই ঘটনার ছয় মাস পূর্তির দিন–এ বছর ৫ ফেব্রুয়ারি ‘বুলডোজার মিছিল’ কর্মসূচি ঘোষণা করে রীতিমত উৎসবের আমেজে বাংলাদেশের নানা ঐতহাসিক ঘটনার স্মৃতি বিজড়িত ওই বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।…
যুক্তরাজ্য সফরের দ্বিতীয় দিন বুধবার লন্ডনে গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স আয়োজিত সংলাপে অংশ নেন তিনি। সংলাপে বক্তব্য দেওয়ার পর প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন, আওয়ামী লীগ, অর্থনীতি, দুর্নীতি, প্রবাসীদের অবদানসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন। অর্থনীতির বিষয়ে এক প্রশ্নে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এটাই আসলে আমাদের সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ। বিশ্ব যখন অর্থনৈতিক টালমাটাল অবস্থায় আছে, তখন আমাদের দেশের অর্থনীতি ‘শূন্য’ না, বরং শূন্যেরও নিচে। বিশাল পরিমাণ দেনা রয়েছে।
ইউনুসের সম্পদ বাজেয়াপ্তের দাবি আজ সকালে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস যখন লন্ডনের রয়্যাল ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সে (চ্যাথাম হাউজ) তার বিশেষ বক্তৃতা দিচ্ছিলেন, তখন বাংলাদেশী সমাজের একটি বড় অংশ তার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এই বিক্ষোভে আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছিলেন, যারা ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের অভিযোগ তুলেছেন এবং তার সম্পদ বাজেয়াপ্তের দাবি জানিয়েছেন। চ্যাথাম হাউজে ড. ইউনূসের বক্তৃতা বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার জন্য আয়োজিত হয়েছিল। তবে, এই ইভেন্টের বাইরে বিক্ষোভকারীরা “ইউনূস ফিরে যাও” এবং “পদত্যাগ কর” এর মতো স্লোগান দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত অসংখ্য ভিডিওতে…
গতকাল ও আজকে বুধবার লন্ডনে এক অভিনব প্রতিবাদ, ভ্যানগাড়িতে ড. ইউনুসকে নিয়ে প্রতিবাদী শ্লোগান: ঘুরছে সমগ্র লন্ডন। পথচারিরা উতসুকভরে দেখছেন ভ্যানিগাড়ি উঁকি দিয়ে, পুলিশরা আগ্রহ ভরে চোখ রাখছেন ভ্যানগুলোতে। বাংলাদেশের কোন সরকার প্রধান এমন ঘৃন্য প্রতিবাদের মুখে পড়েননি এর আগে। ড. ইউনুস দেশের মুখে চুনকালি দিয়ে লন্ডনের রাস্তায় ঘুরছেন।
বর্তমান সময়ের বাংলাদেশ এক গভীর রাজনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যেন আজ বারবার পদদলিত হচ্ছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যে অঘোষিত অভ্যুত্থান ঘটে, তারই ধারাবাহিকতায় দেশের ১০০ জনেরও বেশি সংসদ সদস্য (এমপি) আজ কারাবন্দি তাও আবার মিথ্যা, মনগড়া অভিযোগে এবং বিনা তদন্তে। এটি একটি ভয়াবহ, অমানবিক ও অসাংবিধানিক পদক্ষেপ, যার মাধ্যমে অবৈধ সরকার দেশের আইন, বিচারব্যবস্থা ও জনপ্রতিনিধিত্বশীল ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিয়েছে। উল্লেখ্য, আটককৃত এই এমপিদের অধিকাংশই জননন্দিত আওয়ামী লীগ দলীয় প্রতিনিধি, যাঁরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে এদেশের মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। তারা কখনোই সংসদ…
কবির য়াহমদ।। কূটনৈতিক চ্যানেল বাদ দিয়ে গুপ্ত-এজেন্সি, গুপ্ত-প্লেয়ার দিয়ে সফর পরিকল্পনা, দেশ পরিচালনা ও নীতিনির্ধারণের খেসারত দিতে হলো মুহাম্মদ ইউনূসকে। কোনরূপ প্রস্তুতি ছাড়াই ব্রিটেনে গিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর অ্যাপয়েনমেন্ট চাইলেন, এবং প্রত্যাখ্যাত হলেন। আর এদিকে তাঁর প্রেস সচিব জানালেন প্রধানমন্ত্রী কিয়্যার স্টারমার সম্ভবত কানাডায়। অথচ তাঁর দেশে দিব্যি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব সামলাচ্ছেন স্টারমার। প্রেস সচিব শফিকুল আলমের বুঝতে পারা উচিত ছিল এই সময়ে বিশ্বনেতাদের অবস্থান জানা কারো পক্ষে অসম্ভব কিছু নয়। ইউরোপের নেতারা, এমনকি ভারতের প্রধানমন্ত্রীও তাঁর এক্স-হ্যান্ডলে অনেক কিছু সেয়ার করে থাকেন, যা তাদের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের প্রচারণার অংশ হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত। শফিকুল আলম যখন বলছিলেন কিয়্যার স্টারমার দেশে নাই, বিদেশ গেছেন।…
অভিবাসনবিরোধী তল্লাশির জেরে তৃতীয় দিনেও উত্তাল হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস শহরের কেন্দ্রস্থল। এদিন যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। এমন পরিস্থিতিতে হার্ডলাইনে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিক্ষোভকারীদের অবিলম্বে শহর থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তারা। বিবিসির লাইভ আপডেটে বলা হয়েছে, রাতভর অস্থিরতা অব্যাহত থাকায় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের লস অ্যাঞ্জেলেসের শহর ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এদিকে বিক্ষোভ চলাকালে ওই এলাকার কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লুটপাট হয়েছে বলে জানিয়েছে লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ বিভাগ (এলএপিডি)। এ প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এলএপিডি সেন্ট্রাল ডিভিশন লিখেছে, ‘ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকরা অভিযোগ করছেন যে, সিক্সথ স্ট্রিট এবং ব্রডওয়ে এলাকায় দোকান লুট করা হচ্ছে। অভিযোগ তদন্ত করতে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে…