সাবস্ক্রাইব
সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।
Author: JoyBangla Editor
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দেশে ফিরেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এসএম রাগীব সামাদ। রোববার (৮ জুন) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাবেক রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী বিমান অবতরণ করে। থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে (টিজি-৩৩৯) তিনি ঢাকায় আসেন। এ সময় ফ্লাইট থেকে হুইল চেয়ার দিয়ে আব্দুল হামিদকে নামিয়ে আনা হয়। তার পরনে ছিল শার্ট ও লুঙ্গি। বিমানবন্দর সূত্র জানায়, সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদকে বহনকারী বিমান দেশের মাটিতে অবতরণের পর রাত ১টা ৪৫ মিনিটে তিনি ইমিগ্রেশন কাউন্টারে যান। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ইমিগ্রেশন…
।। আ স ম মাসুম।। ১. তারেক রহমানের সাথে ড. ইউনুসের বৈঠকের এজেন্ডা নিয়ে লন্ডনে এসেছিলেন পররাস্ট্র মন্ত্রনালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা! বিএনপির দাবি অনুযায়ী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না দেয়ায় তারেক রহমান বৈঠকের আগ্রহ দেখাননি! ২. টিউলিপ সিদ্দিক একটা বিরাট রাজনৈতির প্যাচ খেলেছেন! ড. ইউনুসকে তিনি একটি চিঠি দিয়ে দেখা করার জন্য অনুরোধ করেছেন, একই সাথে তার বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগগুলো সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেয়ার সুযোগ চেয়েছেন। ড. ইউনুসের প্রেস সচিব এই চিঠি পাননি বলে গণমাধ্যমে বলেছেন, টিউনিপের সাথে ড. ইউনুসের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা নেই! ৩. ড. ইউনুসের সফর কেন্দ্র করে যুক্তরাজ্যে একটি সিভিক এওয়ার্ডের আয়োজন করার চেষ্টা করা হলেও সেটি নিরাপত্তার দোহাই…
দুদকের একতরফা ও বেআইনী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে মুখোমুখি আলোচনা করার জন্য ডঃ ইউনুস লন্ডন সফরের সময় তার সাথে দেখা করতে চিঠি দিয়েছেন ৪ বারের ব্রিটিশ এমপি ও সেচ্ছায় পদত্যাগ করা মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিক। ড.ইনুচ লন্ডন সফরের সময় দুদক চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরও তার সাথে থাকার কথা, যদি সৎ সাহস ও অভিযোগের কোনো সত্যতা থাকে সেক্ষেত্রে ইউনুস সাহেবের উচিৎ হবে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপের বক্তব্য শোনা এবং তার যথাযথ উত্তর দেয়া। টিউলিপ সিদ্দিকির এই সাহসী পদক্ষেপের খবর ইতিমধ্যে শীর্ষস্থানীয় সকল ব্রিটিশ মিডিয়া ফলাও করে প্রকাশ করেছে। তবে ডঃ ইউনুস যদি টিউলিপকে সাক্ষাৎ না দেন সেক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে ব্রিটেনের সরকার ও জনগণের কাছে তার…
।।কবির য়াহমদ।। মুহাম্মদ ইউনূস যদি ব্রিটেনের এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, তবে সেই সাক্ষাতের স্থান কোথায় হবে? হাউস অব কমন্সে টিউলিপ সিদ্দিকের অফিসে, নাকি যে হোটেলে ওঠবেন মুহাম্মদ ইউনূস, সেখানে? সাক্ষাতের স্থান নিয়ে একটা হালকা লড়াই এখানে হলেও হতে পারে। টিউলিপ সিদ্দিক মুহাম্মদ ইউনূসকে তার অফিস হাউস অব কমন্সে মধ্যাহ্ন ভোজ অথবা বিকেলের চায়ের দাওয়াত দিয়েছেন। দাওয়াতের ভেন্যুর মধ্যে একটা কিন্তু আছে। এখানে বিশাল এক রাজনীতি আছে। আছে অপমানের অভিসন্ধিও। বাংলাদেশে মুহাম্মদ ইউনূস ও তার সরকার টিউলিপ সিদ্দিককে অপমান করেছেন, এখন ব্রিটেনে বসে সাক্ষাতের ভেন্যু বিষয়কে আলাপে সুযোগ পেয়ে সে অপমান ফিরিয়ে দিলেন ইউনূসকে। এটাকে সম্ভবত ব্রিটিশ বুদ্ধি বলে!…
ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী এপ্রিল মাসে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু এই তথাকথিত “নির্বাচন” আসলে একটি রাজনৈতিক প্রহসন, এক ধরনের জাতির সঙ্গে প্রতারণা ছাড়া কিছু নয়। যেভাবে তিনি ‘ভোট’ নামের এই নাটক সাজাচ্ছেন, তাতে মনে হয় এটি একটি ‘এপ্রিল ফুল’ ছাড়া কিছু না। এটি কোনো গণতান্ত্রিক উদ্যোগ নয়, বরং ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার এক গভীর ষড়যন্ত্র। দেশের ভেতরে ও বাইরে চাপ সামাল দিয়ে নিজেকে বৈধ প্রমাণের একটি হাতিয়ার বানিয়ে ফেলেছেন তিনি এই তথাকথিত নির্বাচনের ঘোষণা। প্রশ্ন জাগে কাদের নিয়ে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন ড. ইউনূস? দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বৃহৎ রাজনৈতিক জোট আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় মহাজোটকে…
প্রধান উপদেষ্টাকে দেওয়া চিঠিতে কী লিখেছেন টিউলিপ সিদ্দিক লন্ডন সফরে যাচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় রাজা চার্লস ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়্যার স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। ড. ইউনূসের যুক্তরাজ্য সফরকালে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়ে চিঠি দিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিক। ‘ভুল বোঝাবুঝি’ মেটাতে টিউলিপ এ সাক্ষাৎ চান বলে দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে। চিঠিতে টিউলিপ লিখেছেন- ‘প্রিয় অধ্যাপক ইউনূস, শুনেছি আপনি শিগগিরই সরকারি সফরে লন্ডন আসছেন। সে উপলক্ষে আপনাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানাচ্ছি। আমি যুক্তরাজ্যের একজন সংসদ সদস্য এবং সাবেক মন্ত্রী হিসেবে, বিশেষ করে লন্ডনের…
পদ্মা সেতু। শুধু একটি অবকাঠামো নয়, বাংলাদেশের সক্ষমতার পরিচয়। উদ্বোধনের ৩ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই সেতু থেকে টোল আদায় হয়েছে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা। আপনারা যে মূল সেতু টা দেখতে পান সেটা নির্মাণে খরচ হয়েছে ১২ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু অনেকেই মনে করেন শুধু সেতু নির্মাণ করতেই ৩২ হাজার কোটি খরচ হয়েছে। যে খাতে যত খরচ হয়েছে- * পদ্মা সেতু প্রকল্প এলাকায় মোট ভূমি অধিগ্রহণ হয়েছে ২ হাজার ৬৯৩ দশমিক ২১ হেক্টর জমি। যাদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে, তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা। * সেতুর পাশ দিয়ে ৪০০ কেভি বিদ্যুৎ লাইন আছে, সেখানে খরচ ১…
২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন এপ্রিল মাসের প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা জানান। তবে তাঁর এই ঘোষণায় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে—এই সময়সীমা কতটা বাস্তবসম্মত, কতটা প্রস্তুত নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়া? ভাষণে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন—এই তিনটি ম্যান্ডেটের ভিত্তিতেই তাঁরা দায়িত্ব পালন করছেন।’ তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, রোজার ঈদের মধ্যেই বিচার ও সংস্কার কার্যক্রমে একটি গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছানো সম্ভব হবে। তবে বাস্তবতা বলছে, এসব প্রক্রিয়া এখনো প্রাথমিক অবস্থায়ই রয়ে গেছে। বিশেষ করে, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এবং সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের…
।।মাহবুব জামান।। অভাবনীয় এক অর্জন অথচ…… গত ২ জুন জাতীয় গ্রিডের সাথে যুক্ত হোল রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। কী বিরাট এক জাতীয় অর্জন অথচ প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেকট্রনিক মিডিয়া অথবা সোশ্যাল মিডিয়াতে টু শব্দটি নাই। দুয়েকটা পত্রিকায় মফস্বল সংবাদ দাতার নিউজ হয়েছে এটা ! ধন্যবাদ,সংবাদদাতা বৃন্দ। এর মাধ্যমে আমরা পারমানবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী পৃথিবীর ৩৩ তম দেশ হলাম। এ এক বিরাট অর্জন! পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার একটি গ্রাম রূপপুর।পদ্মা নদীর পাড়ে ছোট্ট একটি গ্রাম। রূপপুরে এই প্রকল্পের অভিযাত্রা রূপকথার মত মনে হয়। আমাদের ছেলেবেলা থেকে শুনে আসছি এই প্রকল্পের কথা ! ১৯৬১ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের সামরিক সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পূর্ব পাকিস্তানে একটি…
এক।অধ্যাদেশের ১০ নম্বর ধারায় প্রবাসী মুজিব নগর সরকারকে মুক্তিযোদ্ধা বলা হয়েছে। তারমানে এই সরকারের সাথে জড়িত সকলকে মুক্তিযোদ্ধা বলা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু, তাজউদ্দিন, মনসুর আলী, কামরুজ্জামানসহ সকলেই মুক্তিযোদ্ধা। অধ্যাদেশের ১৫(গ) ধারায় প্রবাসী মুজিব নগর সরকারের সাথে সংযুক্ত সকল এম এন এ এবং এম পি এ-কে মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। সে অনুযায়ী মেম্বার অফ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বেলির সকল সদস্য- বঙ্গবন্ধু, তাজউদ্দিন, মনসুর আলী, কামরুজ্জামানসহ সকলে যারা গণপরিষদের সদস্য হিসেবে গণ্য হয়েছেন পরবর্তী সময়ে, তারা সকলে মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী। প্রশ্ন হলো, কারা বানিয়েছেন এই অধ্যাদেশ? তারা এসে ব্যাখ্যাটা দিন যে একই অধ্যাদেশের দুই ধারায় সম্পূর্ণ ভিন্ন দু’টি সংজ্ঞা কেন? কোন সংজ্ঞা গ্রহণ করা…