সাবস্ক্রাইব
সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।
Author: JoyBangla Editor
।। মীর রবি।। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অর্ধ শতাব্দী পেরিয়ে সবচেয়ে সংকটময় সময় পার করছি আমরা। সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক মহাপ্রলয়ে ঢুকে গেছে দেশ। আইনশৃঙ্খলার চূড়ান্ত অবনতির ফলে এখানে স্বাভাবিক জীবনযাপন করাটাই এখন বিস্ময়কর। গণমাধ্যমে চোখ বুলালেই রোজকার খবর- খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি লুটপাট, সংঘর্ষ-সংঘাত ও মব সন্ত্রাস মানুষকে আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলছে। মানবাধিকারের পরিস্থিতিও ঠিক কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তা সম্ভব না হলেও সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর দৃষ্টিতে বাংলাদেশের মানুষ বেশ শান্তিতেই রয়েছে। কেননা এখানে এখন শান্তিতে নোবেল জয়ী একজন শাসক রয়েছেন, যার উপর ভরসা করে আমরা স্বর্গের স্বাদ উপভোগ করছি। ভোগ-উপভোগের মাঝখানে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে দেখা দিয়েছে সাংস্কৃতিক সম্ভোগ। দমবন্ধ…
কীভাবে মৃত্যু হল গায়কের? সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের ভারতীয় বিনোদুনিয়ায় আছড়ে পড়ল দুঃসংবাদ! বিদেশের মাটিতে মর্মান্তিক মৃত্যু জনপ্রিয় গায়ক জুবিন গর্গের (Zubeen Garg)। নর্থ ইস্ট ফেস্টিভ্যালে যোগ দিতে সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন জুবিন। সেখানেই রহস্যমৃত্যু গায়কের। মৃত্যুকালে জুবিন গর্গের বয়স হয়েছিল ৫২। বলিউড মাধ্যম সূত্রে খবর, সিঙ্গাপুরে নর্থ ইস্ট ফেস্টিভ্যালে যোগ দিতে গিয়ে প্যারাগ্লাইডিং করতে যান তিনি। ঠিক সেসময়েই বিপত্তি ঘটে! জানা গিয়েছে, প্যারাগ্লাইডিং করার সময়ে আচমকাই সমুদ্রের মধ্যে পড়ে যান জুবিন। অনেকটা সময় অচৈতন্য অবস্থাতেই সমুদ্রের জলে ভেসেছিলেন। খবর পেয়েই, সিঙ্গাপুর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সমুদ্র থেকে গায়ককে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। তাঁকে রাখা হয়েছিল আইসিইউতে। সেখানেই…
বাংলাদেশসহ নয়টি দেশের ওপর পর্যটন ও কর্ম ভিসার উপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে এই নির্দেশনা। শ্রমিক, পর্যটক এবং ব্যবসায়িক উদ্দেশে প্রবেশ করতে ইচ্ছুক এই ৯ দেশের নাগরিকরা এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভ্রমণ, কাজ বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রবেশ করতে ইচ্ছুক বিদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা একটি অপরিহার্য নথি। যদিও বেশিরভাগ নাগরিক সংযুক্ত আরব আমিরাতের পর্যটন ভিসা বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাজের ভিসার জন্যই আবেদন করেন। তবে এবার বেশ কিছু দেশের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করলো আমিরাত। এই বিধিনিষেধের অর্থ হলো- পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই দেশগুলোর নাগরিকরা শ্রমিক, পর্যটক…
।। আলমগীর শাহরিয়ার।। বাঙালি মুসলমান বা হিন্দু পরিবারে শিশুরা বেসিক ধর্মজ্ঞান পেয়ে থাকে। উপরন্তু, মুসলমান ধর্মাবলম্বী শিশুরা স্কুলের আগে কিংবা পরে মসজিদ মক্তবে আরবি ও ধর্মীয় শিক্ষা পায়। কিন্তু পরিবারে নাচ, গান, ছবি আঁকা চাইলেও শেখা যায় না। এজন্য প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান ও ইনস্ট্রুমেন্টাল সহযোগিতার দরকার পড়ে। বহু গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুর সৃজনশীল মনোজগত, সংবেদনশীলতা, বুদ্ধিমত্তা ও সুকুমারবৃত্তি বিকাশে শিল্প, সাহিত্য, সংগীত ও ক্রীড়া চর্চার কোনো বিকল্প নেই। আপনার শিশুকে পৃথিবীর উপযোগী করে গড়ে তুলুন। কোনো ধর্মব্যবসায়ীদের কথায় কান দিয়ে তাদের কুয়োর ব্যাঙ বানাবেন না। তারা বিশ্ব নাগরিক হয়ে উঠুক। মানবিক হোক। সংবেদনশীল হোক। লেখক: সাহিত্য গবেষক ও কবি।
আজ যারা বিনা ভোটে ক্ষমতায় আসীন, তারা ৭১-এর পরাজিত শক্তির ধারক ও বাহক। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও সক্রিয় পেশাজীবীদের অংশগ্রহণে অর্জিত স্বাধীনতা তাঁদের কাছে কখনোই মেনে নেওয়া হয়নি। আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ এই তিনটি একে অপরের পরিপূরক। ৭১-এর দেশি-বিদেশি পরাজিত শক্তি এখনও তাদের পরাজয় মেনে নিতে পারেনি। তারা এই অঞ্চলে পাকিস্তানী ভাবধারায় আরেকটি পাকিস্তান চাইছে। তাই তারা চেষ্টা করছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি মুছে ফেলা, নতুন সংবিধান প্রণয়ন ও দেশের ইতিহাসের স্বতন্ত্র পরিচয় ধ্বংস করতে। এই পরিকল্পনার একমাত্র বাধা হলো আওয়ামী লীগ। তবে আমরা ভুলে যেতে পারি না ৬ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জত এবং ৩০ লক্ষ…
।। আবরার চৌধুরী।। আওয়ামী লীগ করতে চাইলে প্রথমেই বুঝতে হবে আওয়ামী লীগের মূল যুদ্ধ বিএনপি কিংবা জাতীয় পার্টি বা বামদের সাথে না, আওয়ামী লীগের মূল প্রতিপক্ষ হইল ধর্মভিত্তিক রাজনীতি, এইটা বুঝতে না পারলে আওয়ামী লীগ করা মানে খালি লুঙ্গি গায়ে কোট পরা, ভিতরে কিছু নাই, বাহিরে চাকচিক্য। এখন তো দেখি অনেক আওয়ামীলীগার নামধারী মানুষ সাঈদিরে ভালোবাসে, আজহারিরে শুনে, জাকির নায়েকরে ফলো দেয়, আমির হামজার ওয়াজে মুগ্ধ হয়, আবার আবু ত্বোহা আদনানরে হিরো বানায়—এইটা কি আওয়ামী লীগ? আওয়ামী লীগ মানে শেখ মুজিব, আওয়ামী লীগ মানে বাঙালার মুক্তি সংগ্রাম, আওয়ামী লীগ মানে ধর্মের ব্যবসার বিরুদ্ধে দ্রোহ, আওয়ামী লীগ মানে ধর্মকে রাজনীতির হাতিয়ার…
আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক সাংসদ মোহাম্মদ এ. আরাফাত তার ফেসবুক পোস্টে তথাকথিত সাংবাদিক মাহমুদুর রহমানের অতীত কর্মকাণ্ড ও অপতৎপরতার মুখোশ উন্মোচন করে দিয়ে বলেছেন, মাহমুদুর রহমান কখনোই পেশাদার সাংবাদিক ছিলেন না, বরং সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে গুজব, ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। মোহাম্মদ এ. আরাফাত লিখেছেন, মাহমুদুর রহমানের সম্পাদিত আমার দেশ পত্রিকায় সত্যের চেয়ে মিথ্যা ও গুজবই বেশি প্রকাশিত হতো। এর একটি জঘন্য উদাহরণ হলো কাবা শরিফের ছবিকে বিকৃতভাবে ব্যবহার করে একটি মিথ্যা খবর ছাপানো, যেখানে দাবি করা হয়েছিল— সৌদি আরবে জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তির দাবি উঠেছে। অথচ খবরটি সম্পূর্ণ বানোয়াট ছিল। তিনি আরও উল্লেখ করেন, লাতিন আমেরিকার…
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় বাংলাদেশ পুলিশের একটি বিতর্কিত মাইকিং কার্যক্রম স্থানীয় জনমনে তীব্র প্রশ্ন ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। বুধবার বিকেলে কর্ণফুলী থানার পক্ষ থেকে মইজ্জ্যারটেক এলাকায় মাইকিংয়ের মাধ্যমে ঘোষণা দেওয়া হয়, ‘নিষিদ্ধঘোষিত দলের লোকজনকে বাসা ভাড়া দেওয়া যাবে না।’ স্থানীয় বাসিন্দারা ধারণা করছেন, এই নির্দেশে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। এই ঘটনা পুলিশের নিরপেক্ষতা এবং সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ১৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একজন ব্যক্তি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বসে কাগজ পড়ে মাইকিং করছেন। তিনি বলেন, “সকল বাড়ির মালিককে জানানো যাচ্ছে, কর্ণফুলী থানা এলাকায় নতুন ভাড়াটিয়া নেওয়ার আগে তাদের ভোটার আইডি কার্ডসহ অন্যান্য…
ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রকাশ্য মবের হুমকির মধ্যেও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে একাধিক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ আয়োজন করেছেন। রাজধানীর হাজারীবাগ বেড়িবাঁধ এবং গুলিস্তান এলাকায় অনুষ্ঠিত দুটি মিছিলে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন। বিক্ষোভকারীরা সমস্বরে স্লোগান দেন— “শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে।” তারা বর্তমান ড. ইউনুস নেতৃত্বাধীন সরকারকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে বিভিন্ন স্লোগান তোলেন। স্থানীয় জনগণ ও পথচারীদের মধ্যে বিক্ষোভকারীদের প্রতি স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন লক্ষ্য করা গেছে। গুলিস্তানে দেখা যায় বহু মানুষ রাস্তায় দাঁড়িয়ে অংশগ্রহণকারীদের সমর্থন জানান। হাজারীবাগ বেড়িবাঁধে একই রকম দৃশ্য দেখা যায়। মিছিলকারি নেতাকর্মীদের ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশের ঘোষিত ৫ হাজার টাকার পুরস্কারের প্রতি জনমনে কোনো…
কুমিল্লায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অজুহাতে মাইকে ঘোষণা দিয়ে চারটি মাজারে হামলা-ভাঙচুরের পর আগুন দিয়েছে স্থানীয় উগ্রবাদী তৌহিদি জঙ্গিরা। আজ ১৮ই সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জেলার হোমনা উপজেলার আসাদপুর ইউনিয়নের আসাদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে মাজারগুলো ভস্মীভূত হয়ে যায়। কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. নাজির আহমেদ খান বলেছেন ‘এ ঘটনায় উস্কানি ও ইন্ধনদাতাদের আইনের আওতায় আনা হবে।’ জানা গেছে, মহসিন নামে এক যুবক ফেসবুকে গত বুধবার একটি পোস্ট দেন। এটি কেন্দ্র করে স্থানীয় উগ্রবাদী তৌহিদি জনতা থানার সামনে জড়ো হয়ে মহসিনের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন। পরে…