Author: JoyBangla Editor

মৌসুমী ভৌমিক। এক কথায় স্বনামধন্য। বাঙালির কাছে নতুন করে তাঁর পরিচয় দেওয়ার প্রয়োজন সম্ভবত নেই খুব একটা। একাধারে সংগীতশিল্পী, গীতিকার, লেখক, গবেষক এবং আর্কাইভিস্ট। বহু দশক ধরে তাঁর গানের সঙ্গে পরিচিত বিশ্বের অগণিত সংগীতপ্রেমী। এছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে করে চলেছেন ‘ট্রাভেলিং আর্কাইভ’-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ (লিংক: https://thetravellingarchive.org)। কাজ নিয়ে, সময়কে দেখা নিয়ে, আগামীর পরিকল্পনা নিয়ে বঙ্গদর্শন.কম-এর মুখোমুখি মৌসুমী ভৌমিক। রাজর্ষি : আপনার গান ‘নাগরিক বিচ্ছেদী গান’ হিসেবে কিছু জায়গায় চিহ্নিত করা হয়েছে। এই নামটি সম্পর্কে আজকে দাঁড়িয়ে আপনার বক্তব্য কী? যেমন একটা সময়ে কিছু গানকে ‘জীবনমুখী গান’ হিসেবে ট্যাগ দিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেরকমভাবেই কি আপনি এটাকে দেখছেন? না এই নামটিকে এবং…

Read More

।। শেখ আবদুল্লা।। এদেশের আওয়ামী বিরোধী রাজনৈতিক দল ও ইন্টেরিমের ভারত বিরোধিতা কেবলই ভিত্তিহীন ফাঁকা আওয়াজ ও ভারতভীতির গুজব ছড়িয়ে জনসমর্থন আদায়ের নোংরা অপকৌশল, অপরাজনীতি; যার সাথে বাস্তবতার নূন্যতম সম্পর্ক নাই। পূর্বের সকল চুক্তি বহাল, নতুন চুক্তি অনুমোদন, নতুন বিদ্যুৎ আমদানি চুক্তি, ২০০ রেলের বগি ক্রয়, বিপুল পরিমাণ চাল, পেঁয়াজ,আলু, কাঁচামরিচ আমদানি, দেশের অভ্যন্তরীণ মূল্যের প্রায় অর্ধেক দামে ১২০০ টন ইলিশ রপ্তানি, কোন ভারতীয়কে পুশব্যাক বা চাকুরিচ্যুত না করা (মূলত আসিফ নজরুল সাহেবের মিথ্যা বয়ান ছাড়া বাস্তবে ছিলোই না), আম উপহারসহ ভারতপ্রীতির এমন বহু উদাহরণ বিগত ১ বছরে সৃষ্টি করেছে। জনগণ এখন বেশ বুঝতে পারছে, ভন্ডরা আগে ভারতের কাছে দেশ…

Read More

একদা এই ভারতভূমিতে একজন শিক্ষক ছিলেন। তক্ষশীলাতে রাজনীতিশাস্ত্র পড়াতেন। কোনও একদিন তাঁর হঠাৎ নিজের জন্মস্থানে কথা মনে পড়ে গেল। সেই সুদূর মগধে। তিনি মগধে ফিরে এসে সেখানকার শাসকের সঙ্গে দেখা করলেন। শাসক নিজেকে সদাই শক্তিশালী ভাবেন। সেই শিক্ষক তাঁকে রাজ্যের সুরক্ষা সম্পর্কিত গুটিকয় প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সামান্য এক শিক্ষকের দুঃসাহস দেখো, শাসকের মনে তখন ক্রোধের ঝলকানি দেখা দিল। রুষ্ট শাসক সেই শিক্ষককে চূড়ান্ত অপমানিত করে তাড়িয়ে দিলেন। সেই শিক্ষক, সেদিনের সেই বিতাড়িত ক্ষুব্ধ আচার্য নিজের শিখা বন্ধন করে পণ নিয়েছিলেন, শাসককে সিংহাসন থেকে না নামানো পর্যন্ত তাঁর মন শান্ত হবে না। হাতেগোনা কয়েকজন ছাত্রকে নিয়ে তিনি গুপ্তচরবৃত্তির গূঢ়বিদ্যা শেখালেন, রাজনীতির মারপ্যাঁচ…

Read More

।। এইচ এম শহিদুল ইসলাম।। আবহমান গ্রাম বাংলার প্রাণচাঞ্চল্যের এক অনন্য আয়োজন হলো নৌকা বাইচ। আজ সেই চিরচেনা দৃশ্য ফিরে এসেছে ছোট্ট এক নদীতে। ভরা নদীর বুকে পাশাপাশি সাজানো পাঁচটি সরু ও দীর্ঘ নৌকা, যেন জলের বুকে প্রতিযোগিতার মঞ্চ। প্রতিটি নৌকায় বসে আছেন লাল ও সবুজ পোশাক পরিহিত দক্ষ মাল্লারা। তাদের একসাথে বৈঠা চালানোর ছন্দে সৃষ্টি হচ্ছে সুরেলা গুঞ্জন, আর নদীর বুক ফেনায় ভরে উঠছে। বৈঠার শব্দ যেন ঢাক-ঢোলের মতো ছন্দ তুলছে, দর্শকদের হৃদয়ে জাগাচ্ছে উত্তেজনা। নদীর দুই তীরজুড়ে হাজার হাজার মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। নারী-পুরুষ, শিশু-বৃদ্ধ সবাই মগ্ন হয়ে দেখছে রোমাঞ্চকর এ প্রতিযোগিতা। কেউ হাততালি দিচ্ছে, কেউবা উল্লাসে চিৎকার করছে—“চলো,…

Read More

।। কৌশিক মজুমদার।। ১৯২৬ সালের ৭ ডিসেম্বর, ডেইলি মিরর পত্রিকার পাতা খুলেই চমকে উঠলেন পাঠকরা। প্রথম পাতায় বড় বড় হরফে খবর : Mystery of Woman Novelist’s Disappearance। সঙ্গে মেয়ে রোজালিন্ডকে কোলে নিয়ে আগাথা ক্রিস্টির ছবি। তিনিই নাকি রহস্যজনকভাবে হারিয়ে গেছেন। তখন ইংল্যান্ড তো বটেই, প্রায় গোটা ইংরাজি বলা জগৎ সবে নড়েচড়ে বসেছে আগাথার লেখা নিয়ে। সদ্য প্রকাশ পেয়েছে “দি মার্ডার অফ রজার অ্যাক্রয়েড”, যা সেই বছরের তো বটেই, আজ অবধি পৃথিবীর সেরা গোয়েন্দা উপন্যাসগুলোর মধ্যে একটা। আগাথা সানিংডেলে নতুন বাড়িতে উঠে এসেছেন। সঙ্গে স্বামী আর্চি আর মেয়ে। আপাতদৃষ্টিতে সবই তো স্বপ্নের মতো। তাহলে মহিলা গেলেন কোথায়? দাবানলের মতো গুজব ছড়িয়ে…

Read More

আজকাল গুপ্ত শব্দটির ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছে। গুপ্ত বলতে আমরা বুঝি গোপন বা লুকানো। গুপ্তধন, গুপ্তচর। তবে, গুপ্তের আরো অর্থ আছে। সংস্কৃত ভাষা गोप्तृ বা গোপ্তৃ থেকে গুপ্ত শব্দের উৎপত্তি যার অর্থ হলো ‘অভিভাবক’ বা ‘রক্ষক’। একসময় গুপ্ত সাম্রাজ্য (৩২০-৫৫০ খৃস্টাব্দ) ছিল উত্তর ও পূর্ব ভারতের স্বর্ণযুগ। এই যুগ ছিল আবিষ্কার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বাস্তুবিদ্যা, শিল্প, ন্যায়শাস্ত্র, সাহিত্য, গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, ধর্ম ও দর্শনের বিশেষ উৎকর্ষের যুগ; বর্তমান হিন্দু সংস্কৃতি মূলত এই যুগেরই ফসল।গুপ্ত যুুগের আমলে অনেক পণ্ডিত ব্যক্তি যেমন কালিদাস, আর্যভট্ট, বরাহমিহির, বিষ্ণু শর্মা -এর অবির্ভাব হয়েছিলো।‌ রাজধানী ছিল পাটলিপুত্র (পাটনা, বিহার) উজ্জয়িনী (মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত) অযোধ্যা (উত্তর প্রদেশে অবস্থিত)। (২) বাঙালি…

Read More

“৫ আগস্টের পর আমরা দেখতেছি দারিদ্র্যতার হার বিপুল পরিমাণ বাইড়া গেছে” – ইউনূস স্বৈরশাসনে ভুক্তভোগী জনতা। স্থানীয়রা বলছেন, এ সন্ত্রাস একদিনে তৈরি হয়নি। গত এক বছর ধরে তারা এলাকায় দাপট দেখিয়ে আসছে। কিন্তু কেন তাদের এত সাহস? কেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব? এই প্রশ্ন এখন শুধু কলেজপাড়ার নয়, পুরো দেশের। তারা শুধু কলেজপাড়ায় নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিচ্ছে। তাদের লক্ষ্য একটাই—অস্থিরতা সৃষ্টি করা, মানুষের মনে ভয় ধরিয়ে দেওয়া, এবং ইউনুসের গদি শক্ত রাখা। বাংলাদেশে মবের ঘটনা শুধু বিশৃঙ্খলা নয়; বরং তা রাজনৈতিক উদ্দেশে ব্যবহার করা হচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থা- মানাবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) জানিয়েছে, ইউনূস সরকারের অধীনে গণপিটুনিতে মৃত্যুর সংখ্যা…

Read More

বাংলাদেশ আজ অমানবিকতার এক গভীর অতলে নিমজ্জিত। সম্প্রতি স্ত্রীর উপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে স্বামীকে তার সামনেই হত্যা করার নৃশংস ঘটনাটি জাতির বিবেককে নাড়া দিয়েছে। এ ঘটনা কেবল একটি পরিবারের ট্র্যাজেডি নয়, বরং রাষ্ট্রযন্ত্রের ভঙ্গুরতা, আইনের ব্যর্থতা এবং শাসনব্যবস্থার অকার্যকারিতার নগ্ন প্রতিচ্ছবি। *জঙ্গীবাদের উত্থান* অবৈধ ইউনুস সরকারের আমলে দেশে জঙ্গীবাদ ও মৌলবাদী শক্তির উত্থান ক্রমশ তীব্রতর হয়েছে। পাকিস্তান-আফগানিস্তানের অনুকরণে এই গোষ্ঠীগুলি গ্রাম-শহরে নিজেদের ঘাঁটি শক্ত করছে। প্রশাসন যেখানে প্রতিপক্ষ দমন ও ভিন্নমত দমনেই ব্যস্ত, সেখানে জঙ্গীরা পাচ্ছে অবাধ স্বাধীনতা। এভাবে রাষ্ট্রব্যবস্থা জঙ্গীবাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ছে। *নারীর নিরাপত্তাহীনতা* ধর্ষণ আজ নিত্যদিনের অপরাধে পরিণত হয়েছে। বিচারহীনতা, ঘুষ ও দলীয় প্রভাবের কারণে অপরাধীরা…

Read More

গান্ধীজি অহিংস ছিলেন না। অহিংস ছিল তাঁর মুখোশ। নেতাজি সুভাষকে তিনি কংগ্রেস থেকে সরিয়েছিলেন হিংসার অনলে জ্বলে। প্রমাণ ১৯৩৯ সালে ত্রিপুরি কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন। সুভাষ নির্বাচনে দাঁড়ালেন গান্ধীজির অমতে। কী এত বড় স্পর্ধা সুভাষের! গান্ধীজি অবাক। তাই তিনি তাঁর মনোনীত প্রার্থী পট্টভি সীতারামাইয়াকে সুভাষের বিরুদ্ধে দাঁড় করালেন। জয়ী হলেন সুভাষ। ফল হল মারাত্মক। গান্ধী ও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু নির্বাচনে নেতাজীর জয় লাভের পর গান্ধীজির উক্তি: ‘The defeat of Pattabhi Sitaramyya is my defeat’ অর্থাৎ পট্টভি সীতারামাইয়ার পরাজয় মানে আমার পরাজয়।’ এ কী সাংঘাতিক কথা! জনগণের ভোটে নির্বাচিত সভাপতি সুভাষচন্দ্র বসুর জয়ে হঠাৎ মহাত্মার মত মানুষের এই ধরনের উক্তির কারণ কী?…

Read More

জাতিরপিতা বঙ্গুবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বুঝতে পেরেছিলেন বাংলাদেশ স্বাধনি হবে একদিন। তা খুব বেশিদিন দেরী হবে না। বিষয়টি একটি বইয়ে স্মৃতিচারণ করেন শেখ হাসিনা। আব্বা আমাকে বলেছিলেন, “তোর ছেলে স্বাধীন দেশের নাগরিক হবে। তোদের ছেলের নাম রাখবি জয়।” – শেখ হাসিনা ১৯৭১ সালের জুলাই মাস। ধানমন্ডি ১৮ নং সড়কের এক তলা একটা ছােট বাড়ি। এই বাড়িতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বন্দী করে রেখেছিল আমার মাকে। সাথে জামাল, রেহানা, রাসেল। আমি ও আমার স্বামী, খােকা কাকা, চাচী ও তাদের ছেলে। আমি সন্তানসম্ভাবনা। মার্চ মাসের ২৩ তারিখ আব্বা যে দিন পতাকা তুললেন নিজের হাতে, সেদিন আমাকে বললেন, “তোর ছেলে…

Read More